পুরাতন হাঁটুর ব্যাথা থেকে আরোগ্য

রেইকি শেখার পুর্বে  শারীরিক অনেকগুলো সমস্যা্র মধ্যে ১৫ বছরের পুরাতন হাঁটুর ব্যাথা ছিল অন্যতম। ২০০২ সাল থেকে আমার পায়ের জয়েন্টে ফ্লুইড জমে হাঁটু ফুলে লাল হয়ে যেত। পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা করতো। ব্যথায় গায়ে জ্বর এসে যেত। কখনো ডান পা ফুলে যেত, আবার কখনো বাম পা। তখন সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে খুব অসুবিধা হত। বসলে উঠতে পারতাম না, স্বাভাবিক চলাফেরায় বেশ অসুবিধা হত। প্রচলিত কোন চিকিৎসাই বাদ রাখিনি। কিন্তু সুস্থতার দেখা পাইনি।

বন্ধু থেকে জানতে পারি জাপানি চিকিৎসা পদ্ধতি ‘রেইকি’ সম্পর্কে। সন্ধান পাই রেইকি সেন্টার বাংলাদেশের। এর পর নিজে রেইকি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। অতঃপর গুরুজির প্রদত্ত নির্দেশনা মতো অসুস্থ স্থান সমূহে নিজেই নিজেকে রেইকি চিকিৎসা দেওয়া শুরু করলাম। রেইকি স্বচিকিৎসা নেওয়ার প্রথম দিকে একবার আগের মতো পায়ে ব্যাথা উঠেছিল। প্রায় এক বছর হতে চলল, এখন আর আগের মতো পা ফুলে যায় না বা ব্যথাও অনুভূত হয় না। সাথে সাথে বিদ্যমান অন্যান্য রোগ সমূহের উপসর্গ গুলিও দূর হয়ে গেছে। এখন আমি আল্লাহর রহমতে পুরোপুরি সুস্থ।

আমিনুল হক খান, ৪০/এ আজিমপুর কলোনী (পুরাতন), ঢাকা। ফোনঃ ০১৬৭৪৯৭৯৮০০.

পুরাতন কান ব্যাথা আরোগ্য

আমি ২০১৫ সালের মে মাস থেকে নিয়মিত রেইকি প্র্যাকটিস করছি। রেইকি শেখার পুবে শারীরিক অনেকগুলো সমস্যা্র মধ্যে ‍ছিল ১০/১৫ বছরের পুরাতন কানের ব্যাথা, বাম কানে কম শুনা, কান দিয়ে পানি পড়া, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া। ইএনটি বিশেষঞ্জ ডাক্তারের পরামশে নিয়মিত ওষুধ খেয়েও কোন স্থায়ী সুফল পাইনি, ওষুধ যখন খাই তখন ভাল থাকি আর ওষুধ ছেড়ে দিলেই পুবের অবস্থা হতো। রেইকি শেখার পর এবং নিয়মিত রেইকি প্র্যাকটিস করার পর এখন আর কানে ব্যাথা হয় না, কান থেকে পানি পড়ে না, কানের ভোঁ ভোঁ শব্দ দুর হয়েছে এবং বাম কানে স্বাভাবিক শুনতে পাই। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে রেইকি শেখার পর কানের সব সমস্যার সমাধান হয়েছে।

জামিল আহম্মেদ খান, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা.  ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

পেটের অসুক ভাল হয়ে গেছে

আমি গত মে ২০১৫ সাল হতে নিয়মিত রেইকি প্র্যাকটিস করছি। রেইকি শেখার পুবে শারীরিক অনেকগুলো সমস্যা্র মধ্যে ‍ছিল পে্ট ব্যথা, পেটের পীড়া, পেটের ভুটভুর শব্দ হওয়া, হজমে গন্ডগোল, দীঘ দিনের আমাশয়সহ বদহজম।

গ্যাস্টোএন্টলজি বিশেষঞ্জ ডাক্তারের পরামশে দীঘদিন নিয়মিত ওষুধ খেয়েও কোন ফল পাইনি, ওষুধ যখন খাই তখন ভাল থাকি আর ওষুধ ছেড়ে দিলে পুবের অবস্থা হতো। রেইকি শেখার পর এবং নিয়মিত রেইকি প্র্যাকটিস করার পর এখন পে্ট ব্যথা সেড়ে গেছে, পেটের পীড়া, পেটের ভুটভুর শব্দ ভাল হয়ে গেছে, হজমে এখন আর গন্ডগোল নেই, দীঘ দিনের আমাশয়সহ বদহজম ভাল হয়ে গেছে।

আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে রেইকি শেখার পর পেটের সব সমস্যার সমাধান হয়েছে এখন বেশ ভাল আছি।

জামিল আহম্মেদ খান, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা.  ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

এলাজি ভাল হয়ে গেছে

নিয়মিত রেইকি করার ফলে এখন আর এলাজি হয় না। রেইকি শেখার আগে সারা শরীরে প্রচুর এলাজি হত বিশেষ করে শরীরের নীচের অংশে পায়ে। চামড়ার উপরের অংশেশ লিচুর খোসার মতো খসখসে হয়ে যেত। জ্বালা পোড়া করতো। এই অবস্থা ৫-৬ ঘন্টা ধরে বিরাজমান থাকত। রেইকি শেখার পর নিয়মিত রেইকি করাতে এখন আর শরীরে এলাজি হয় না। শুকরিয়া আল্লাহকে রেইকি প্রবাহিত করে এলাজি মুক্ত করার জন্য।

জামিল আহম্মেদ খান, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা.  ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

দূর রেইকি’র বিশেষ অনুভুতি

মার্চ’ ১৬ তারিখ মনে নেই। হঠাত বুকের বাম পাশে প্রচন্ড ব্যাথা। ব্যাথার তীব্রতা ও প্রচন্ডতা সহ্য করতে না পেরে, রেইকি স্যারকে ফোন করে আমার বুকের ব্যাথা জনিত কষ্টের কথা জানালাম। তিনি সাধারণতঃ কারও বিশেষ কষ্টের কথা শুনলেই দূর থেকে রেইকি দিয়ে আরোগ্য কামনা করে থাকেন। কিছুক্ষন পরে অনুভব করছিলাম বুকে আর কোন রকম ব্যাথা নাই।

জামিল আহম্মেদ খান, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা. ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

আরো কটি অভিজ্ঞতা

১. আমার স্ত্রী মিলি (৩৪)। নিদ্রহীনতা তাঁর দীঘদিনের সমস্যা। রাতে ঘুম হয় না বলে তীব্র কষ্ট। রেইকি ক্লাসে প্রদত্ত্ব পরামর্শ মতো ‘পরিবারের সদস্যদেরই সবার আগে রেইকি চিকিৎসা দিন’। আমিও সেমতো স্ত্রী মিলিকে রেইকি দেয়া শুরু করি। নিয়মিত কয়েক দিন রেইকি দেয়ার পর আল্রাহর রহমতে এখন আর রাতে তার ঘুমের সমস্যা নেই।

২. প্রতিবেশী সেতু বড়ুয়া (২৮)। সমস্যা বেক পেইন। রেইকি চিকিৎসায় বিনা ওষধেই যে কোন কঠিন বেক পেইনও ভাল হয় শুনে, ‘তাঁকে চিকিৎসা দেয়ার অনুরোধ করেন’। আমি তাকে স্পর্শ রেইকি দেয়ার পর সে জানায়, রেইকি দেয়ার সময় তাঁর মনে হচ্ছিল ‘ব্যাথা একবারে সেড়ে গেছে’। রেইকি পাওয়ার এর তাৎক্ষণিক প্রভাব দেখে সে অবাক হয়ে য়ায়। স্থায়ীভাবে বেক পেইন মুক্তির জন্য তাঁকে রেইকি শিখে নেয়ার পরামর্শ দিলাম। সে নিজে থেকেই সেন্টারে গিয়ে রেইকি প্রথম ডিগ্রি শিখে নেন। এখন তিনি ব্যাথা মুক্ত আছেন।

৩. সহকমী আজিজুল (৩৫)। একদিন অফিসে প্রচন্ড বুক ব্যাথায় কাতরাচ্ছিলেন। এবং আমাকে ডাকছিলেন বার বার। আমি তার সমস্যার কথা শুনে ও জেনে রেইকি দেই, তাতক্ষনিক তাঁর বুকের ব্যাথা ভাল হয়ে যায়। এবং সে জানায় আপনি বুকে হাত দেয়ার পর থেকেই, ‘আমার খুব আরাম লাগছিল’।

জামিল আহম্মেদ খান, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা.  ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

 

ডিসটেন্স হিলিং এর প্রথম অভিজ্ঞতা

ইঞ্জিয়ার সৈয়দ আবু কাউছার বয়স ৩৪ বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। আমেরিকাতে আছে প্রায় বছর খানেক। কলেজ জীবনের ঘনিষ্ট বন্ধু। দীর্ঘ দিন যোগাযোগ নেই। হঠাৎ ফেসবুকে বদলৌতে খুজে পাই। ফেইসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানতে পারি, সে শারীরিকভাবে অসুস্থ। ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার ও ইমুর মাধ্যমে তার শারীরিক সমস্যার বিস্তারিত খোঁজ খবর নেই। সে জানায়- “সে তার বন্ধুদের সাথে এক পার্টিতে এটেন্ড করে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে, লক্ষন ছিল প্রচন্ড পেট ব্যাথা, পায়খানা বন্ধ, মাথা ব্যাথা। যার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। হাসপাতালে ভর্তি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে অপারেশন করার পরামর্শ প্রদান করেন।” কিন্ত সেইসময় তার পক্ষে অপারেশন করার মত আর্থিক সামর্থ্য ছিলো না।  এভাবে প্রায় তিন দিন অসুস্থতার মাঝে কাটায়। বিষয়টি জানার পর আমি তাকে রেইকি সম্পর্কে বলি। শুনে  প্রথমে সে বিষয়টিকে হাস্যকর ও তাছিল্য করে উড়িয়ে দেয়। পরে বিস্তারিত জানালে সে রেইকি নিতে সন্মতি প্রকাশ করে। তার সন্মতির প্রেক্ষিতে আমি তার আরোগ্যের জন্য ২০ মিনিট দুরবর্তী রেইকি প্রদান করি এবং তাকে বলে দেই সুস্থ হলে আমাকে জানাবি।’ ইঞ্জিয়ার সৈয়দ আবু কাউছার প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেন এবং সুস্থ্যতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ৩০ মিনিট পর ইমুর ম্যাসেঞ্জারে মাধ্যমে।

বর্তমানে সে রেইকি শিখতে আগ্রহী।

সরিফুল ইসলাম খান পেশা- ইঞ্জিনিয়ার। ইস্কাটন, ঢাকা।