আত্মশুদ্ধি, স্বচিকিৎসা বা নিজে নিজে রেইকি চর্চা

দেহ, মন, আত্মার যে কোন রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি, আত্মউন্নয়ন, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, পারিবারিক সামাজিক সমস্যার সমাধান কল্পে আপনি রেইকি শিখে নিজে নিজেই স্বচিকিৎসা বা আত্মউন্নয়ন কল্পে পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে একজন রেইকি মাস্টারের কাছে উপস্থিতহয়ে রেইকি প্রথম ডিগ্রি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। শিক্ষক শক্তিপাত বা দীক্ষা বা তাওয়াজ্জু প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দেহস্থিত চক্র বা লতিফাগুলি সক্রিয় করা বা খোলেদেন। তারপর আত্মশুদ্ধি বা দেহ-মনের শুদ্ধিকরণ আর্থাৎ নেগেনিভ থিংকিং থেকে বের হয়ে পজেটিভ থিংকিংয়ের পথে নিজেকে পরিচালিত করতে ২১ দিনের বিশেষ সাধন প্রকৃয়া সম্পন্ন করতে হয়। নেতীবাচকতার রাজ্য থেকে বের হয়ে ইতিবাচকতার বিশ্বে নিজেকেপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সর্বাবস্তায় সু গ্রহণ ও কু বর্জনের সাধনা করতে হবে।

শরীর, মন, আত্মার পরিশুদ্ধি অর্জনের জন্য ২১দিন অবিরত নিয়ম করে স্বীয় শরীরের ২৪টি নির্দিষ্ট পয়েন্টে সেলফ রেইকি বা নিজেই নিজের উপর রেইকি এনার্জি প্রয়োগ করে যেতে হবে। নেতিবাচক চিন্তাপ্রবাহ  আমাদের প্রতিটি নাড়ী/সুরঙ্গ/চ্যানেল আটকে রাখে অবরোধ তৈরি করে। ইতিবাচত চিন্তাপ্রবাহে অনুশীলন শুধু মনের  শুদ্ধিকরণ নয়, আমাদের বাস্তবজীবনেও ইতিবাচক সুফল নিয়ে আসতে সাহায্য করে। এর সাথে সাথে শরীরের শুদ্ধিকরণ শুরুহয়ে যায়, প্রতিদিনের রেইকি পয়োগের ফলে ২১দিনের মধ্যেই বিদ্যমান রোগমুক্তি ঘটে। যে কোন বয়সের, লিঙ্গের, যে কোন ধর্মের, বর্ণের, যে কোন শিক্ষার, যে কোন পেশার লোকজনের পক্ষে রেইকি শিখে নিজের বা অন্যের চিকিৎসায় আত্ব নিয়োগ করতে পারেন। সম্পূর্ণ রূপে কোনপ্রকার ওষধ ছাড়া, যন্ত্রপাতি ছাড়া, অপারেশন ছাড়া, কোনপ্রকার প্যাথলজিকাল টেষ্টছাড়া। শুধুমাত্র দুইহাতের তালুর ছোঁয়া বা টাচের মাধ্যমে, কিম্বা বিনা টাচে, দূরথেকে।

ফলে রেইকি গ্রহিতার লাভ ছাড়া কোনরূপ ক্ষতি হয় না। প্রয়োজনী ছাড়া টেষ্ট করে অর্থ নষ্ট হয় না, ভূল বা নকল ওষধ খেয়ে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে না।চিকিৎসকের অজ্ঞতা বা অদক্ষতার কারণে অপচিকিৎসারও সুযোগ থাকে না। কাজেই রেইকি চিকিৎসা সকল দিক থেকেই রোগীর জন্য নিরাপদ।

স্বচিকিৎসার ২৪ পয়েন্ট