রেইকি শিখেধুমপানছাড়তে পারলাম

কৈশোরের শুরু থেকেই ধুমপানের বদঅভ্যাস গড়ে উঠে আমার। সঠিক দিনক্ষন মনে না থাকলেও ধুমপানের বদঅভ্যাসে নিয়মিত আসক্ত হয়ে পড়ি। আর তাই সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী তাদের সাথেই বেশী সক্ষ্যতা গড়ে উঠেছিল যারা ছিল ধুমপায়ী। পারিবারিক বা সামাজিক সকল শাসন বারন অমান্য করেছি ধুমপান ছাড়ার ব্যাপারে। ধুমপানের বদঅভ্যাসের কারনে সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন অনেকেই আমাকে অপছন্দ করত তা বুঝতে পারতাম, কিন্তু তারপরও ধুমপান ছাড়িনি বরং তাদেরই ছেড়েছি যারা প্রকৃতই আমার শুভ কামনা করত।

ধুমপান পরিহারে একাধিকবার চেষ্টা করেছি কিন্তু কয়েকদিন পর আবার ব্যার্থ হয়েছি। বেশ কিছুদিন যাবৎ লক্ষ্য করছি ধুমপান করার পর শরীর একেবারে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, মাথা ঝিমঝিম করে, শরীর যেন আর কাজ করতে পারছে না এমন অনুভুতি। অতিমাত্রায় ধুমপানের ফলে টোঠ কালো হয়ে গেছে এবং দাঁতে স্থায়ী কালো দাগ পড়াসহ দাঁতগুলো ফাঁকা ফাঁকা হয়ে গেছে।

আর তাই ধুমপানের কুফল চিন্তা করে বেশকিছুদিন যাবৎ ধুমপান ছাড়ার জন্য প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে নিয়ত করে ঘুমাতাম ‘আগামীকাল থেকে আর ধুমপান করবো না।’ কিন্তু সকালে উঠেই প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করি নতুন সিগারেট জ্বালিয়ে।  আবার যে ই. . . . . .সে ই। প্রতিদিন কমপক্ষে ১২টি থেকে ১৫টি সিগারেট টানার অভ্যাস। গত ডিসেম্বর’১৪-জানুয়ারিতে’১৫ প্রচন্ড বুক ব্যাথার কারনে ডাক্তারের পরামর্শে দু-দুবার ইসিজি এবং ইকো করিয়েছি এবং যখন দেখেছি এর রিপোর্ট স্বাভাবিক আছে, তাখনেই পুনরায় সিগারেট টানতে টানতে বাড়ি ফিরেছি, . . . . .আসক্তি যাকে বলে। পরিবারের সদস্যদের পরোক্ষ শাসনও কোন কাজে আসেনি। ধুমপান একটি বদঅভ্যাস যে করে সেও বুঝে, যে না করে সেও বুঝে। খারাপ জেনে ছাড়তে চায় অনেকেই কিন্তু পারে না শুধুমাত্র আসক্তির কারনে।

তেমনি পরিস্থিতিতে এক সহপাঠীর মাধ্যমে জানতে পারি ‘রেইকি’ নামে একটি জাপানি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির কথ। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক অনুমোদিত। তার কাছে আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে রেইকি সম্পর্কে বিভিন্ন আলোচনা শেয়ার করি, নেটে দেখি এবং রেইকি কোর্স করতে আগ্রহী হয়ে উঠি। জানার এবং শেখার আগ্রহ নিয়ে ‘রেইকি সেন্টার বাংলাদেশ’এ যোগাযোগ করি এবং ২৪-২৫ এপ্রিল’১৫ ইং তারিখ দুদিন ব্যাপী ‘রেইকি ১ম ডিগ্রি কোর্সে অংশগ্রহন করি। কোর্সের শুরুতে রেইকি থেকে আপনার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হলে আমি অনেকগুলো প্রত্যাশার মাঝে ‘ধুমপান ছাড়তে আগ্রহী’ বিষয়টি উল্লেখ করি এবং যথারীতি রেইকি কোর্স শেষ করি।

কোর্স করার পর অদ্যাবধি আর একবারও ধুমপান করি নাই এবং ধুমপানের জন্য আমার কোন আসক্তিও সৃষ্টি হয় নাই। আমরা জানি যেকোন ধরনের মাদকাসক্তি ছাড়লে শুরুর দিকে প্রথম এক-দুদিন পর নানা ধরনের শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয় যেমন- নাক, চোখ দিয়ে পানি পড়া, হজমে সমস্যা, চুলকানি, ঘুম কম বা বেশী হওয়া ইত্যাদি। যাকে মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী withdrawal syndrome বলা হয়। কিন্তু আল্লাহর রহমতে রেইকি করার পর আমার এধরনের কোন প্রকার withdrawal syndrome দেখা দেয়নি।

বেশ ভাল আছি ধুমপান ছাড়তে পেড়ে। ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ক্ষতি করে, অর্থেরও তেমন অপচয় ঘটায়। বলা যায় ধুমপান সঞ্চয়ী মনোভাবকে ধবংস করে দেয় এবং দায়িত্ববোধে দেখা দেয় ঘাটতি। ফলে বিবিধ কুঅভ্যাস গড়ে উঠার সম্ভাবনা থাকে, কারন ধুমপান অসৎ সঙ্ঘকে প্রভাবিত করে।

এখন অন্যদের ধুমপান করতে দেখলে বিরক্ত লাগে। তাদের প্রতি আহবান শুধু শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি আর অর্থের অপচয় না করে ধুমপান বর্জন করুন । ধুমপান বর্জনের নিয়ত করুন, আর এরজন্য রেইকিতে অংশগ্রহন করুন দেখবেন আপনার জন্য দুঃসাধ্য কাজটি সহজসাধ্য হয়ে গেছে। বিশ্বাস না হয় জীবনের জন্য শেষ চেষ্টা একবার করেই দেখুন।

এছাড়াও অন্যান্য (শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্ত্বিক, জাগতিক) সমস্যা সমাধানে রেইকির টাচ হিলিং, ডিসটেন্স হিলিং- তো আছেই। আপনার নিজের, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের এবং সমাজে এর প্রভাব ফেলবে অকল্পনীয়।

আমি-

জামিল আহম্মেদ খানরিপন

রেইকি ডি-১, ১৫১/১জি পূর্ব আহমদ নগর, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬.

ফোন- ০১৭১৬৫৪১৫৩৮.

 

রেইকি চিকিৎসা   ওষধ, যন্ত্রপাতি ছাড়া

বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানের আবিস্কৃত ব্যয়বহুল বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতিতে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়ে যান। বিশেষত ক্যান্সার, আলসার, কিডনি প্রতিস্থাপন, গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথর অপসারণসহ বিভিন্ন সার্জারি চিকিৎসা নিতে গিয়ে দেখা যায় ডাক্তার দের বেধে দেয়া নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে গিয়ে অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়। আর নষ্ট হয় অনেক মূল্যবান সময়। পরিবারে একজন জটিল রোগী থাকলে, আরো তিনজন রোগীর পিছনে শ্রম দিতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তারপরও শেষ রক্ষা হয় না। ভূল অপারেশন কিংবা ভূল ট্রিটমেন্ট জনিত জটিলতায় রোগী মারা য়ায়। আবার ওষুধ কোম্পানীগুলি অধিক মুনাফা করতে গিয়ে ভেজাল সামগ্রী দিয়ে ওষুধ তৈরী করছে বলে রোগীদের আরোগ্য হবার পরিবর্তে অন্য রোগ সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা জগতে এই অপলগ্ন চলাকালীন মুহূর্তে এক শুভ বার্তায় জানানো যাচ্ছে যে, আধুনিক বিশ্বে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আদি চিকিৎসা পদ্ধতি তথা ঐশ্বরিক বা মহাজাগতিক কুদরতি শক্তি দিয়ে চিকিৎসা করে নির্ভূলে, সহজে ও স্বল্প ব্যয়ে কঠিন রোগ থেকে মুুক্তি পাওয়া যায়। যে চিকিৎসার মূল উপাদান হচ্ছে মহাকাশ থেকে বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মি বা ম্যাগনেটিক তরঙ্গ। নক্ষত্র শক্তিকে গুরু বিধ্যার মাধ্যমে অর্জন করে প্রাপ্ত তরঙ্গ কণাকে চালনা করে চিকিৎসা করাই এই পদ্ধতির কাজ। এই চিকিৎসার আধুনিক নাম ‘রেইকি’।  বাংলায় এর অর্থ দাড়ায় মহাজাগতিক সঞ্জীবনী শক্তি।

রেইকি চিকিৎসায় দেহের সকল রোগ যেমন সর্দি কাশি থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত চিকিৎসা করা যায়। আবার মানসিক রোগ, পাগল থেকে আছরকৃত রোগী, যাদুগ্রস্ত বিপন্ন রোগী, সর্পবিষ ধ্বংস, সম্পর্ক উন্নয়ন, স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্ক তৈরী, মামলায় জয়ী, বন্ধ্যাত্ব দুর, গ্রহ দশা থেকে মুক্তি, শত্রুকে বন্ধু করা, গর্ভবতী মায়েদের পেটের বাচ্চা উল্টে থাকা থেকে স্বাভাবিক করা, জরুরী অপারেশনযোগ্য রোগীকে বিনা অপারেশনে চিকিৎসা ইত্যাদি অসংখ্য সমস্যার সমাধান রেইকি বিদ্যাতে নিরাময় করা সম্ভব। বিশ্বের উন্নত দেশগুলিতে মেডিকেল সাইন্সের পাশাপাশি আমেরিকা, লন্ডন, জার্মান, রাশিয়ার মত বড় বড় দেশের হাসপাতালগুলিতে রেইকি চিকিৎসার জন্য আলাদা বিভাগ আছে। বিশেষ করে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এর ব্যবহার এবং প্রচুর সাফল্যের জোয়ার প্রতিভাত হচ্ছে। আমাদের বাংলাদেশ সবকিছুতেই পিছনে এর জন্য দায়ী মূর্খতা, অন্ধবিশ্বাস, দৈন্যতা ও কুসংস্কার ইত্যাদি। সর্বোপরি কোন প্রয়োজনীয় বিষয়ের বাস্তবতা উপলব্ধিতে দীর্ঘসূত্রিতা একটা বড় সমস্যা। বাংলাদেশে রেইকি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মাত্র একটি। রেইকি সেন্টার বাংলাদেশে, নাভানা গার্ডেন, হাউজ নং-৩৬, কল্যাণপুর, মিরপুর রোড, ঢাকা। রেইকি বিদ্যার মাস্টার জনাব এম. মহিউদ্দিন ইসলাম এর নিকট থেকে আমি রেইকি’ প্রশিক্ষণ নিয়ে জটিল কঠিন চিকিৎসা করতে পারি। আমার হাটুব্যথা, বুুকব্যথা, গ্রহদশা এবং শরীরের অন্যান্য অসুখ বিসুখ থেকে সুস্থ আছি।

তাই আমি কঠিন ও জটিল রোগগ্রস্থ রোগি বা রোগীর অভিভাবকদের বলবো চিকিৎসা যেখানেই চলুকনা কেন একবার রেইকি সেন্টারে এসে রেইকি মাস্টারের পরামর্শ গ্রহণ করুন। কারণ রেইকি চিকিৎসা আন্য যে কোন পদ্ধতির চিকিৎসার সাথে বিনা বাধায় চলতে পারে। কোন অর্থ ও স্বার্থ নষ্ট না করে- আরোগ্য ত্বরান্বিত হয়।

নূর মোহাম্মদ বাবুল

কল্যাণপুর নিউ রেডিও কলোনী, গলি নং-৭, হাউজ নং ১০, কল্যাণপুর, মিরপুর, ঢাকা।

মো- ০১৯১৩১৭২১৫৭

 

ওষুধের আগ্রাসন থেকে বাঁচান

গত ২৪ মে বহুল প্রচারিত দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’র ‘ওষুধ কোম্পানী থেকে টাকা নিচ্ছেন ডাক্তাররাএবং হাসপাতালগুলোতে রিপ্রেজেন্টেটেভিরা বেপরোয়া’ শিরোনামের প্রতিবেদন দু’টি পড়েই আমার এ চিঠি। প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য হলো, ডাক্তাররা ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি বা মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এর প্রধান কারণ হচ্ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর কাছ থেকে নিয়মিত ডাক্তারদের নানা উপহার সামগ্রি ও টাকার চেক নেওয়া। উপহারের মধ্যে আছে বিদেশে যাবার খরচ, ছেলে মেয়েদের বিয়ের খরচ, এসি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, ল্যাপটপ, ফার্নিচারসহ নানা সামগ্রী। ডাক্তাররা উপঢৌকন নিয়ে ওষুধ প্রেসক্রাইব করার ফলে সাধারণ মানুষ অপচিকিৎসার স্বীকার হলেও কোম্পানীর প্রদত্ত উপহারের টাকা কিন্তু সুদে-আসলেই ফেরত পাচ্ছে। তাই এই ভয়াবহ দূরাবস্তা থেকে মুক্তিরজন্য আমাদের দেশেও উন্নত বিশ্বের আদলে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি প্রসার করা উচিত। ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, চীন, রাশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের সকল উন্নত দেশে নানা ধরনের বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োগ প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলিও একই পথে হাঁটছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ও যাচাই বাছাই করে বিভিন্ন বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিকে স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ববাসীকে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। এসব দেশে ‘রেইকি’ নামে পরিচিত সম্পূর্ণ ঔষধ ছাড়া জাপানী চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমেরিকাসহ বিশ্বের দেশে দেশে নির্বাচিত অনেক হাসপাতালে এলোপ্যাথির পাশাপাশি রেইকি চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে কোন মেডিসিন প্রয়োজন হয় না, লাগেনা কোন যন্ত্রপাতি, করা হয়না কোন অপারেশান; শুধুমাত্র দু’হাতের স্পর্শেই সকল রোগ ভালো হয়। অতি সহজ, সরল ও সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ামুক্ত রেইক চিকিৎসাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।

আমি নিজে রেইকি চিকিৎসা নিয়ে দীর্ঘদিনের পুরনো কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়েছি আমার জানামতে রেইকি সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিয়ে পোলিও সেরেছে, দীর্ঘদিনের পুরনো আমাশয় ভাল হয়েছে, পিত্তথলির পাথর মুক্ত হয়েছে, টিউমার, এলার্জি, হাঁপানি, গ্যাসট্রিক, আলসার, ডায়াবেটিস, ব্লাডপ্রেসার, পক্ষাঘাত, অনিদ্রা, মৃগী, বন্ধ্যাত্ব, আসক্তি, নাকডাকা, ভয়, স্নায়ুদুর্বলতা থেকে আরোগ্য লাভ করেছে। বাত-ব্যথাসহ সাধারণ রোগের আরোগ্যের পাশাপাশি জটিল ও কঠিন রোগেও রেইকি চিকিৎসা অব্যর্থ। তাই আমি মনে করি জনস্বার্থে দেশে ‘রেইকি চিকিৎসার’ প্রচার ও প্রসার করা উচিত, যাতে মানুষ আধুনিক চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা তথা ওষুধ কোম্পানীর আগ্রাসন থেকে বাঁচার পথ খুঁজে পায়। অহেতুক অর্থ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি মুক্ত হয়, জীবন নিয়ে শঙ্কা দূর হয়। সাথে সাথে দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানাই। জানাই স্বীকৃত বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি সমূহ প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রেখে ওষুধ কোম্পানীর আগ্রাসন থেকে সাধারণ জনগণকে বাঁচানোর অনুরোধ। রেইকি সম্পর্কে আরও জানা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শের জন্য আগ্রহীগণ ০১৬১১১১৩০২২ নম্বরে ‘রেইকি সেন্টার বাংলাদেশ’র সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

শারমিন জাহান

আদাবর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

মো. ০১৬৮৪১৬৩০০০

শীঘ্রই আরো চিঠিপত্র সংযুক্ত হবে